কেমন করে ভালোবাসি বলো
কেমন করে তোমার কাছে আসি বলো?
এই যে আমি বুক পেতে তোমার কথা শুনি-
তারপরেও গুটি-গুটি শব্দ মনে হয় তুমি দূরে চলে যাচ্ছো,
সরে যাচ্ছো আরো দূরে; দূর-দূরান্তে।
বকুল হাসনাহেনা কিংবা রজনীগন্ধার ম ম গন্ধে কখনো খুঁজি নাই তোমাকে,
বুকের পাঁজরে-অঝরে ষোড়ষীর মতো যত্নে ছিলে।
তারপরেও দূরে গেলে!
কেমন করে আগলে রাখি তোমায় বলো?
আরো কতো আপন হলে আরো কতো ভালবাসলে তুমি রয়ে যেতে ভালবাসার বৃত্তের ভিতরে?
কেমন করে তোমার কাছে আসা যায় বলো?
বিরহের অপেক্ষায় কোন মানে হয় না
কারো জন্য দুঃখ পুষে যান্ত্রিক কোলাহলে জীবন দীর্ঘ করে কী ই বা হবে?
ভোরের সূর্য দেখতে-ই হ্যালোজেনের আলো বন্ধ করে দিবে সিটি কর্পোরেশন।
নিয়মের খেলাপ ঘটে না কর্পোরেট অফিসে,
কেবল চুক্তিবঙ্গ হয়ে যায় চুক্তিহীন ভালোবাসার।
দ্বিপাক্ষিক মনে বলৎকার চলে যুক্তিহীন শক্তি প্রয়োগে।
মনের লালিত গোলাপ নিমিষেই ছিটকে পড়ে নর্দমায়,
দু'জন মানুষ বিচ্ছেদে জ্বলে, অন্তরে অন্তরে জ্বলে সুপ্ত আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।
প্রেম অকারণে ভেঙে যায় বর্ষার স্রোতের মতো।
বিরহের কান্না গিলে নেয় বায়বীয় বাতাস।
যাবার যে চলে যাবে, যে থাকার সে রবে।
প্রিয় নারী
কি অপরুপ শিল্পকর্ম তোমার মুখটা,
প্রেমের সুদীর্ঘ পিরামিড লালিত তোমার কুঞ্জে,
চিরদৃশ্যমান প্রেমের শিলাগুলো অমরত্বের দাবি তোলে তোমার নিরেট অভ্যাসে,
তোমার সূক্ষ্ম উচ্চারণ, সাদামাটা পঙক্তি উজ্জ্বল সংবাদ এনে দেয় প্রেমের মোহনায়।
তুমি কালজয়ী কোন নারী -
তোমার সমগ্র পার্থিব প্রত্যাহিকতার পুঞ্জে বুঁদ হয়ে থাকে সৌন্দর্যের নিদারুণ স্পর্শ।
আমি খুঁজে পাই প্রেম
তোমার শরীরের ভাঁজে ভাঁজে স্নিগ্ধ প্রেমকিরনের লোভনীয় স্তবক, কি চমৎকার খেলে পুলক দৃশ্যে।
ফ্যাসিবাদ আর সাম্রাজ্যবাদের বিশ্রীনীতি ও সীমাবদ্ধতা ছেড়ে নিমিষেই অভিভূত হয়- স্রষ্টার সৃষ্টি, তুমি প্রিয় নারী।
তুমি এতোটাই অপরুপ মনোহারিণী।
তুমি এতোটা ভালোবাসার প্রদীপ- প্রিয় নারী।
২৩ ডিসেম্বর ১৯ ইং
মধুমুখ
এসো ভালোবাসার বীজ বুনে দিই নদীর জোয়ারে;
বাতাসের উড়ো-ফুলে দেখা হোক মহামতি বুদ্ধের জন্ম ।
এই প্রার্থনা করছি তবে- তুমি কুমারী নও।
ভেঙে গেছে স্রোত-
তোমার নিতল স্তম্ভ বয়ে নিয়ে যাক বোমারু খপোত।
বালিকার প্রবৃদ্ধি
সাদাএফ্রোনের মতো নিভৃত তোমার মুখ;
চমৎকারভাবে আকর্ষিত করে আমাকে।
জ্যোৎস্না নিমিষেই জ্বলে উঠে জোনাকির আহবানে--
কেউ জানে না আবার কেউ জানে।
বালিশের পাশে বিদগ্ধ রজনীর বুক ছুঁয়ে তোমার কালো কেশ--
পুরুষের বুকে জারি করে প্রেমের অধ্যাদেশ।
প্রায় নিরুদ্দেশ হয়ে যায় মুঠো-মুঠো ভাবনার সংস্কারে;
মন ডাকে তবুও চুপ করে আছি প্রাচীন অন্ধকারে ।

0 Comments