দিপংকর মারডুক এর কবিতা

Dipankar Marduk's poem



সংকট স্বীকারে নিয়ে


সংকেত ছড়িয়ে দেখি নাই কোনো জীবগণিত,

অনেকদিনের কাঁটাভাঙা মূল প্রবাহ থেকে

আমচরিত বৃষ্টিপাত আপাতত;

বরং

গাছ আমাকে শিখিয়েছে বন্দরে ঢুকে পড়া মুহূর্ত—

চারদিকে সব উৎসারিত নেমে যাচ্ছি একমাত্র!

কী আজ প্রত্যক্ষ করেছি

পরিসরের মেঘ, জল—ঘাসের গ্রীষ্মকাল নিয়মকানুন

করে?

দ্যাখো, দেয়ালে মানচিত্র এঁকে বর্ণনায় রেখেছিলাম

বনঅধিদপ্তরসহ পাখি উড়ার ইতিহাস

অন্তত আরো গৃহমখী পৃথিবীর পরে যদি

নেচে উঠতো হরিণশাবকের সমান শিশুর সরলতা—




বৃক্ষ হওয়ার আগের লেখা


আমি শান্তিপূর্ণ সাক্ষাৎ চেয়ে ছিলাম

তোমার হাত ভাঁজ করে রাখার দিকে তাকিয়ে

বলি, আমার পরিপূর্ণ বক্তব্য যেনো তোমাকে বিব্রত না করে

প্রভু, কেনো যে মাটির নিচ থেকে ঈশ্বরের আঙুল ধরে

উঠে আসে একবিংশ শতাব্দীতে আমারই ঔদ্ধত্য কণ্ঠস্বর





উৎসর্গ


বাবা তিন দশকের মায়া নিয়ে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরেন

সেই অতিক্রমের পৌনে চারকিলোমিটার আহ্লাদী রাস্তা

স্মৃতিকাতর করে, যেনো সেখানে

তখন ঘরভর্তি সর্বভ্রমে চলে গণতান্ত্রিক অধিকার

কিংবা লাল গাইয়ের বাছুরসহ অনুচিত ছুটোছুটি


ভাঁজে ভাঁজে থাকে তার উপলব্ধি

সামান্য সকালের সমান লিখিত রাখা সংকট সংক্রান্তি

দেখি ভিড়ের মধ্যেও সমস্ত নিরাপদ জ্বলে ও’ঠা,

বাবা ভারবাহী নিঃসঙ্গ পার করেন মহুরি নদী

আড়ালে বিতর্কের সংবর্ধনা হতে হরিধ্বনি সিরিজ পর্যন্ত


Post a Comment

0 Comments