আশ্রয়
প্রেম হীন জীবনে তুমি এসছিলে
এক চিলতে সোনা রোদ হয়ে।
আশাহীন জীবন কে তুমি ভরিয়ে দিলে
অবক্ত আনন্দে।
তোমাকে পেয়ে আমি ভুলেই গেছি
আমার অতীত।
যেখানে কালো মেঘের দল
তাড়া করত আমায় সবসময়।
যেখানে শকুনের দল
ওৎ পেতে বসে থাকে
সুযোগ পেলেই খাবলে খাবে।
আধা পেট খাওয়া সেই আমি
তোমাকে কাছে পেয়ে
আজ আমি হয়ে গেছি
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সুখী।
তাই ভয় হয় মনে
যাবে নাতো চলে
আমায় ছেড়ে কোনোদিন ৷
বলো আমার হাতটি ধরে -
দু মুঠো ভাত আর আশ্রয়ের যে
আজ আমার বড় প্রয়োজন।
নইলে যে শকুনেরা খাবলে খাবে
সারাক্ষণ।
কই বলো
বললে না তো
কখনও আমায় ছেড়ে যাবে নাতো চলে??
কখনও কোনো দিনও?
বলো! বলো!!
তবে তুমি ও কি সেই দলে??
দু দিনের তরে
আনলে তুমি আমায় ঘরে।
ষড় ঋতু
গ্রীষ্মের দাবদাহে
মাঠ ঘাট চৌচির।
কৃষকের আহ্বান
আল্লাহ দয়াবান
দেন জেনো বৃষ্টি
বর্ষা ধরনীতে
নিয়ে আসে শান্তি
দর দর ঘাম নেই
আহা কি প্রশান্তি।
শরতেই কাশ ফুল করে
প্রকৃতির শোভা বৃদ্ধি।
শরতেই খেলা চলে
আলো ছায়া মেঘ
আর বৃষ্টির।
হেমন্ত তুৃমি কৃষকের হাসি
আর আনন্দ উল্লাস।
তুমি এলে কৃষকের ঘরে ঘরে
চলে তাই নবান্নের উৎসব।
শির শিরে ঠান্ডা আর
পাতা ঝরা নিয়মেই
প্রকৃতিতে ফিরে আসে
কন কনে শীত যে।
মুখ দিয়ে ধোঁয়া ওড়ে
ওরে বাবা কি শীত রে।
কোকিলের কুহুতানে
মুখরিত চারদিক
ফল ফুল আর পত্র পল্লবে
ছেয়ে যায় চারদিক।
বসন্তের আগমনে
প্রকৃতিতে ফিরে আসে
প্রান চাঞ্চল্য
প্রকৃতি বলে দেয়
এসে গেছে ঋতু রাজ বসন্ত।
ভালোবাসার ঋণ
এক ফাগুনে
প্রেমের মৌঋণসুমে
এসেছিলে তুমি
আমার এই জীবনে।
প্রেমের প্রদীপ তুমি
তুলে দিলে আমার হাতে।
সেই শুভ ক্ষনে
বললে তুমি সেদিন
আজ থেকে আমরা
থাকবো একসাথে
যতই বাঁধা আসুক পাছে।
সেই থেকে আমি
পড়িলাম বাঁধা
তোমার প্রেমের ডোরে।
রইলাম তোমার ছায়া হয়ে
তোমার সাথে সাথে।
কতো মান-অপমান বিরহ জ্বালা সয়ে
আজও রয়েছি আমি
তোমার পাশে পাশে।
তোমার সন্তান করেছি
ধারন আমি গর্ভে।
মাতৃত্ব দিয়েছো তুমি আমারে।
তোমারি জন্য
পেয়েছি আমি
মধুময় সেই ডাক
মা ডাক শুনতে।
তাইতো আমি ঋণি হয়ে রইলাম
তোমারি সঙ্গে।

0 Comments