চর্যাপদ
সকালের
গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি শুভ না অশুভ?
একটা
লোক বিরক্ত নিয়ে দৌড়াচ্ছে...
দুইটা
কুকুর। এখন কার্তিক মাস। আদিম শিল্প আঁকছে
নিজেকে
এখন কোথায় দাঁড় করাবো ভাবছি, বৃষ্টি হচ্ছে...
এখানে
চর্যাপদের ঐতিহ্যের মতো টিকে আছো,
পাঠে
নাই, কষ্ট হয়?
নিজেকে
প্রশ্ন করে কোনো দুঃখ খুঁজে পাচ্ছি না
তবু আজ
সারাদিন দুঃখে কাটাবো, ভাবছি
নব পরিণীতা
বউ রেখে যাওয়া, গোপীচন্দ্রের বোধে?
নাকি
যে পাখি ফেরেনি আর, নীড়ে
ফেলে
রেখে যাওয়া ছানার ডানা হয়ে, সেই দুঃখে?
একদম
বুঝতে পারছি না, কি যে করি
ভাবনায়
শুধু চর্য্যাচর্য্যবিনিশ্চয়...
অন্বয় হও
বিজ্ঞান জানে না যে, সেও কি করতে পারে
অক্সিজেন অস্বীকার? আছে সাধ্য কার?
থাকে না দয়াল, যদি করো তবু এইমতো অবহেলা
জানোই তো, কীটেরও এষণা আছে—
এ সামান্য মানব জনম, আদি পাপ কত আর বয়?
জোয়াল টানা মহিষের মতো ক্লান্ত সে যে, হও
অন্বয়
তোমার ইশারা
তুলসীপাতার মতো সুখ হয়ে উঠুক অসুখের,
এ দীনের হোক সহোদরা—
.
যে কবিতাই লিখি, যে দিকেই ঘুরি
কেবলা ঘুরে তোমার দিকে হয়
এতটা মোহে, জাগতিক ইশারায়
আর টেনো না গো
ছিঁড়ে যাবো, শিরকে শিরকে
জন্মের পর যেমন সন্তান তাঁর মায়ের নাড়ি ছিড়ে
যায়

0 Comments