এখন বরষা রাত্রি
তোমার উঠোন জুড়ে খেলা
করে আমার প্রজাপতি; উস্কো-সুস্কো ঠোট নাভিমূল ছুঁতে ছুঁতে বরষায় ভীজে যায়
খোঁপাবাধা চুল।।
এখন বরষা রাত্রি; লাজুক
কম্বোল খোঁজে আহ্লাদিত সুখ; পরাণ ভিজিয়া যায়, যেতে যেতে দূরগামিনী চাঁদ দীঘল নদের
বুকে প্রতিবিম্বের মতো আছড়ে পরে; অত:পর বসন্তোৎসব খেলাকরে একহাঁটু জল।।
একটা অন্ধকার আবেগ
একটা রেল স্টেশন, আবছা
অন্ধকারে লেম্পপোষ্টের আড়ালে আবেগ নিয়ে বসে আছে;
একটা রেলগাড়ি প্রতিনিয়ত
ছুটছে।।
ঘন অন্ধকারে চটের
স্তুপে কিছু মানুষ বস্তাবন্দী,
রাত শেষে ভোর আসে।।
লেম্পপোষ্টের আড়ালে—
মা নেই,
পেটে ক্ষুধা নিয়ে একটি
শিশু কাঁদছে।।
কবিতার রংতুলিতে
একমুঠো রোদেলা বিকেল
তোমার কাশফুল ছুঁয়ে যায়; নাকফুলে খেলাকরে নির্মল মেঘ;
হৃদয়ের গহীনে কবিতার
রংতুলিতে জেগে ওঠে শরতের বালিহাঁস।।
এখন শরৎকাল বলেই কবিতার
প্রতিটি ছন্দে মৃদুল হাওয়ায় রাতের তারা গুলো জেগে ওঠে, জোনাকিপোকা টিপ টিপ ছন্দে
কবিতা আঁকে;
আর, তোমাকে খুঁজি শরতের কাশবনে।।

0 Comments