বিশ্বজিৎ মণ্ডল এর কবিতা

 





নীতুলকে উড়ো চিঠি

কী বলে,ডাকি তোকে__বল তো ?
বাচ্চা পরি ? ডানা ভাঙা রক্তাক্ত পাখি ?
নাকি ঘুম ভাঙা কোন দুঃস্বপ্ন ?
ঢাকার সবুজ সোপানে বসে থাকা উনিশের
                                  স্বর্ণলতা তুই......
স্নিগ্ধতায় সাজিয়েছিস___সুরোভিত উদ্যান

এই তো দু'হাত ধরে প্রথম ডাকলি____দাদা
ছিন্নমূল অন্ধকার ভেঙে তোকেই মেনেছি,কনিষ্ঠা..

আর পারি না রে নীতুল_______
আয় আমরা আজ সন্ধ্যায় তুমুল বৃষ্টি আঁকি



বনগমন

প্রতিদিন নগ্ন বৃষ্টিপাতের পর ধুয়ে ফেলি সর্বস্ব

আজন্মের অসুস্থতা,নিজেকে ঠকানোর খেলাচ্ছল
অভাবি উর্দি গায়ে বহুবার গেছি,প্ল্যানচেট
                                                      শহরের দিকে
দেখেছি___হাভাতের তসবি হাতে জপছেন
তাদের নাদান পরমেশ্বর....

কীই বা হল,এ যাবৎ অস্থিরতা আঁকা আমাদের দিনকাল
 টুকরো চাঁদবাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে আমার পয়মন্ত বউ
তার ঈশ্বরের নামে সাজাতে পারেনি___উপাচার

আর আমি অসুস্থ কাঠুরিয়া নকল রাম রাজত্ব ছেড়ে
চলে গেছি____প্রাচীন অরণ্যের দিকে...




দহনকাল 

তোকে প্রতিদিন যে শোক লিখি___
তার মধ্যে লুকিয়ে আছে,আমার দীর্ঘ অভিমান
একবার উল্টে দেখিসনি,চন্দ্রাহত ভাইজানের পৃষ্ঠা

বাজিগরের হলুদ দড়িতে ঝুলছে,যাপন....
যা আজ থেকে তোকে লিখে দিলাম,শেষ অধ্যায়

এই নে,পাবক ইজেল_______
যাবতীয় মুছে আমাকে পোড়াক প্রণম্য আগুন




Post a Comment

0 Comments