পরস্পর প্রত্যাশা
পরস্পর ক্লান্ত নিউরন,স্নায়ু হৃৎপিণ্ড স্তব্ধ
অপেক্ষারত অপেক্ষমান -
তবুও নিজ জীবন কতিপয় বকুলের স্মৃতিময় ক্লান্তি।
বহমান পথ ঘাট, ঘুমহীন দারোয়ান।
গন্তব্যতাড়িত পথ বিদায়ে বিলম্ব ।
মিলছে হৃদয় অবিহিত পদ্ম
প্রগাঢ়মান মিলছে তপবোন
পরমসত্তা তুচ্ছতা বর্হিভূত হৃদয় -
অতিশয় করুনা করেছে নীল কাফন।
কাফন তলে লোকানো পদ্মের ঠিকানা
আাজও অজ্ঞাত।
পরম্পরা
পরস্পর পরম্পরা জীবন বহমান, অতিশয় অতীত জীবন কাঙ্ক্ষিত উপমাসূচক।
তবুও, জীবন উঁকি দেয় পরম্পরার সূচনায়,
আমরা বরং থেমে গিয়েছি বটবৃক্ষর পাতায়।
পরম্পরা- ০২
সংজীবন ক্রমাগত নিজের কাছে দাবি ছিলো, ছন্নছাড়া প্রাপ্য জীবন বহমান- তবুও যাপিত যাপন কেটে যাচ্ছে বদ্ধ এক সংসারে! যে সংসার স্বপ্ন নয়, কল্পনা নয়, বরং অভিশাপ অভিযোগ বহমান এক যাপন। আমাদের কাছে দাবি ছিলো, পরম্পরার সর্বোউর্ধ্বে, সর্বোপরি ঘর বেঁচেছি আগ্রাসনের সমবোঝার সমাজে- সুতরাং, ক্রমাগত পরম্পরার দিকে ধাবিত হচ্ছে জীবন?
ইনস্টাগ্রামের বন্ধু
ইনস্টার বন্ধু ভাবে আমি গুলশান থাকি -
এক বন্ধু প্রায়ই দেখা করার জন্য লোকেশন পাঠায়। অপেক্ষায় রাখি,আর বলি- দেখা হবে একদিন-
গতসপ্তাহে জিজ্ঞেস করলো, সি ইউ নেক্সট ফ্রাইডে?
আমি ইংরেজিতে বড্ড কাঁচা। তবুও,উত্তর দিলাম - নো।
-এ্যানি প্রবলেম? হোয়ার ইজ ইওর হোম?
- বসিলা,মোহাম্মদপুর।
-হোয়ার ইজ বসিলা?
- আমি তাকে বোঝালাম, এটা ঢাকার শেষ সীমানা নদীর কাছে। যদিও সে মোহাম্মদপুর চিনলেও বসিলা চেনেনি।
আড়াইবছর অপেক্ষায় থেকে বন্ধু আজ আর এসএমএস দেয় না। আমি অনেক ভেবে বের করলাম, আমার হয়তো, ধানমন্ডি বলা উচিত ছিলো। তবুও গুলশানে একটা বন্ধু থাকতো।! শুনেছি ধানমন্ডি- গুলশানে একটা বন্ধুত্ব হয়।
বন্ধুকে বলতে পারিনি,আমি গুলিস্তান চিনি, তবে গুলশান চিনি না। গুলশান যেতে ভয় হয়, যদি কোনো মেয়ের সৌন্দর্য্য মনে গেঁথে যায়। যদি কোনো সুগার ড্যাডির মনে বন্দী হয় মন! আমার আবার ওয়ের্স্টান পোশাকের মেয়েদের গোলাপের মতো লাগে। সুগার ড্যাডিদের লাগে পলাশফুলের মতো - জানি হয়ত দেখেই যেতে হবে গুলশানের মানুষের সৌন্দর্য, ত
বুও আমি যেতে চাই না গুলশান।
ওয়েস্টার্ন পোশাকে কাল্পনিক আজও!

0 Comments