দূর কুনো ভোর বেলার ডাকে
গর্জে ওঠে জনমতের পাখি,
পাখিদরে ডাকাডাকি তহন সংবিধানের কী কাজে আসে?
সময় গোপন করা লাশে কত আর হেেস ওঠা যায়?
দিনের ক্লান্তি লিয়া বাড়ি ফিরা গেলে
মা কইবে, ‘শান্ত হ বেটা
অস্থির সমায়ে শান্ত থাকাই যুদ্ধের শামিল।
দুপুররে সাথে সকালরে কুনো গড়মলি চলে না,
তুমি শালা গরীব পোলা
তোমার আবার মার্কবাদ
কী,
অর্থনীতি কী
কোন দুক্ষে তুমি গীত-গোবিন্দে পইরা থাকবার চাও?’
এসব হাস্তোর ছাড়ো, লইটামি কমাও
বাড়-বাড়ন্তের তাবেদাড়ি আর মানি না হে!
আমার হিসাব আমারে বুইঝা লিবার দেও
হাচা-মিছা অর্থনীতি লিয়া আমি আর এক পা’ও আগাবো না।
বাতি লাগাও, পান
খাব
কইছি কি!
বিটিক দিছি বিয়া,
জামাই বাড়ি যাব এবার দইমিষ্টি লিয়া।
জামাই আমার গাও-গতরে
রাজপুত্রের লাহান,
বহুত আশায় বিটি দিছি, সাক্ষী দুজাহান।
বিয়াই আমার রসিক মানুষ
পান চিবায়া কয়,
‘আইসা পইরেন বিটির কাছে, যহন মনে লয়’।
যাব-নাতে কী!
বিটি দিয়া বটো নিছি, বিয়ান হইছে বইন,
আমি এখন বটোর মা, সব তারে কইন।
ও গেদির বাপ,
ঘোগা দিয়া বইসা রইছ ক্যান?
বাতি লাগাও, পান খাব
রাত পোহালে ঠিক করবা ছগির আলীর ভ্যান।
মাবুদ, আমারে খালি
বাঁচায়া রাইখো
সব গুলি আমার বুকরে ভতের ঢুইকা পড়ুক
হাড় ফুটো করে বারায়া যাক, এদকি সদেকি...।
গুলি খাওয়া হাড়গুলো একদনি গাছ হইয়া উঠবে
গাছে গাছে নতুন ফুল ফোটবে, রাত হইবে দনি
আমি সখা হইয়া উঠবো পতাকাবাহী রক্তরে জমনি।
জমিন হইয়া পইরা থাকবো পুরোটা আশ্বিন,
আমারওে শোধরাতে হবে ফুল ফোটার ঋণ।
আমারে খালি বাঁচায়া রাইখো মাবুদ, অভ্যন্তরীন—
মঘেপতনে ঘুঁইচা যাবে তাবৎ অসুখরে দিন।


0 Comments