প্রগাঢ় প্রত্যাবর্তন
ভালোবাসা ভালোবাসা কইরা তুমি মইরা গ্যাছো গত চৈত্রে
তবু বোঝ নাই,
ভালোবাসা সেই জারজ মানুষজন্মের পাপ
যার খোঁজে নারীবন্দনা করতে করতে উধাও হইছে তোমার পূর্বপুরুষ।
বাগানে ফুটে কি আইজও বর্ষারঙা ফুল;কদম্ববৃক্ষে?
উঠানের বাঁকে নাচে কি বৃষ্টির জল?
জানি,তোমার উত্তর নাই,
তয় ক্যান পাগলা ঘোড়ার জীবন পাইয়া
একলা খোঁজো পৌরুষ-আস্তাবল!!
তোমার ঘরের দুয়ার খুইলা দ্যাখো,
আমি আছি বেমালুম খাড়া।
ভালোবাসার বাণিজ্য শেষে
তোমারই নাম জপি এই ফাল্গুনে
আমার ঘরের চালায় ঝইরা পড়ে বেহায়া জ্যোৎস্না
তবু তুমি আসো নাই।
ভালোবাসা ভালোবাসা কইরা
কেমন আজব তুমি মাঝ রাইতে তন্দ্রা পোড়াও!

ছায়াদুঃখ
দিছিলাম পাহাড়ের সমান এই অন্তর।মমতা নাই গো তোমার
শরীলে জরায়্যা রাইজ্যের পূণ্য-কালাম,
মগজের ভিতর থিকা বাইরায়্যা যায় কুনহানের কালা কইতর!
দ্যাখছো? নাকি আড়ালের নামলিপি নিয়াই থা্কো একলা বিছ্নায়?
কিবা কইরা তোমারে জিগামু সেই সব কতা!
বুকে বান্ধা এক আজিব পাখির সুবাস
যে খালি বাচনের নিগা কিবা করে!কেউ কইবার পারে?
চোখের নিমিষে মইরা যায় বেহুলার কোলের সাপ
তুমি যারে চাঁনঢোড়া কও!
দিলে সে ছোবল একখান বিষে নীল হইবো হাজার জীবন।
তোমার নাভিপদ্মে এমুন কুন মায়া সইবো সেই ছুবল?জানে
কেউ?
না জানুক ক্ষতি কী আর তার কাছে? ক্যান যাও ফিরা
তার উঠানে খাড়াও ক্যান বেহুদাই নির্লজ্জের নাহাল।
কুনুহানে শাস্তি নাই, জাইনা গ্যাছ ভালো থাকনের দিনে
ভাবতে গিয়া তোমার শরীল,গতর উতলায়া যায় মাঝ রাইতে ক্যান!
ফিরনের কালে গ্যাছে বাতাসের পাছে
আমার অন্তরে হুদাই কার ছায়াদুঃখ নাচে!

0 Comments