কুয়াশা
শেষ পর্যন্ত_
কুয়াশায় এই পথ আটকে দিলও
দূর অবধি দেখার অফুরন্ত পথ
ফুরিয়ে যায় নিমিষেই
রঙ্গিন কোন রঙ নেই!
কুয়াশা বললো আমি আছি
এইতো কাছাকাছি
অনুভব করো…
কি গো শিউরে উঠলে যে
ভয় পেও না
আমি ছাড়া কোথাও কিছুই নেই!
অতঃপর
অতীতের ফোঁটা ফুল শুকিয়ে,
বর্তমান ঝরঝরে শুকনো পাতা-
ভবিষ্যত পুড়ে ছাই হওয়ার আপেক্ষিক স্বপ্ন!
তুবও কত কৌতুহল নিয়ে সবটা জানার ইচ্ছে।
খেলাধুলার পথ আটকে,
সময় দিয়েছিল যৌবন যুদ্ধের আহ্বান।
আবেগের অজুহাতে যুদ্ধের ময়দানে,
প্রহর কাটছে সাজসজ্জায় সে বাসরের অপেক্ষায়।
যৌতুক হিসেবে যৌবন নিলও জীবন।
কথা
কথা জানও!
ভিড় জমছে নির্জন স্টেশনও
পরবর্তী স্টেশন অপেক্ষায় আমার,
আমি আসবো বলে।
প্রচন্ড ভিড়ে আমাকে খোঁজ না,
অল্প গল্প ছিলো,বলবো একদিন।
কথা -
আপাতত পিছু ডেকনা
ফিরে যাও!
শুরু করেছিলে যেখানে
বুজেছো বলতে পারনি।
অংক
একে একে দুই এর বেলায়
নতুন সকাল হয়েছিল।
সেদিন থেকেই জীবন তালিকায়
যুক্ত হিসাবের পদচারণা "
কি পেলাম অবশেষে?
দুই একে দুই, দুই দুগুণে চার
বাড়তে থাকা সংখ্যা
আমাদিগকে দ্বিগুনের উদাহরণ দেয়!
শেষ হয়না দ্বিগুণের পথচলা-
এক একে যখন শুন্যের মিলন হয়
নতুন করে সেখানে ফিরি,
মুল্যহীন এইসব যোগ আর বিয়োগ
শুরুটা যখন ছিলও শুন্য।
বন্ধনী
ওহে পাখির দল-
দুরা দুরান্ত তোমাদের সে পথ
উড়ে বেড়াও আপন ইচ্ছায় ।
আমার তো ডানা নেই
তাই নিরুপায় হয়ে একাকি বসে থাকি।
দুমুঠো খাবার ছিটিয়ে তোমাদের কাছে ডাকবো
এমন কোন সামর্থ্যও হয়না-
তোমরা যেপথে উড়ে চল
সেপথ আমার সাধ্যের বাহিরে,
সঙ্গ নেই, স্বাধীনতা নেই
তবে সংকোচ হয়
যদি পাখি হতাম!

0 Comments