ঝোলা
দুঃখের ঝোলা থেকে বেরিয়ে আসলে তুমি। হাঁটতে হাঁটতে বিকেল হয়ে গেলাম। তোমার পিছু পিছু হাঁটতে গিয়ে সন্ধ্যার সাগরে ডুবে গেলাম। আমার দুঃখের ঝোলা ভাসতে ভাসতে রেঙ্গুন চলে গেল।
রেঙ্গুনের দুঃখী মেয়ের মতো আমার কবিতা পড়ছ তুমি। দুঃখের ঝোলা থেকে এবার আমাকে বের করতে চাইলে। অথচ আমি হাঙরের শরীরে কাঁটা হয়ে বেঁচে আছি।
ভালো থেকো
এ শহর ছেড়ে চলে যাবো
দূর অজানায়, এক অচিনপুরে।
যেখানে চিনবে না কেউ
চিনবে না কোন পথিক,
চায়ের স্টলের সেই হাতল ভাঙ্গা কাপ,
থেতলানো আদা আর বেনসনের ফিল্টার।
আমাকে নিয়ে কেউ মাতবে না সেদিন,
ফুলের দোকানের কোন ভেজা গোলাপ,
এমনকি তুমিও, খুঁজবে না আর।
নান্দনিকতার ছাপ ফেলে চলে যাবো
বিরহী এই শহরের মোহ ত্যাগ করে।
ভালো থেকো তুমি,
ভালো থাকুক ছয় টাকার গোলাপ,
পাঁচ টাকার চা আর তের টাকার সেই বেনসন।
চব্বিশ টাকার জীবনের সেই সুখ,
তোমার দেওয়া কিছু স্মৃতি
আর পথের ধুলোয় মাখামাখি করা কৃষ্ণচূড়ার ফুল;
আজ বড্ড এক ঘেয়েমির কারণ
তার চেয়ে বরং, ভালো থেকো তুমি।
গোধূলি
জীবনটা এরকমই,
সব রঙ ফুরিয়ে গেলে
ছুঁয়ে যায় নৈঃশব্দের গোধূলি আলো।
বিষণ্ণ সবিতাও জানে,
অপেক্ষার প্রহর শেষে
আসে অমানিশার আঁধার কালো।
বরং সে চলে যাক
বরং সে চলেই যাক,
স্মৃতির পাতা থেকে
মনের দরজা থেকে
নিঃশ্বাসের সুগভীর বিশ্বাস থেকে।
বরং সে চলে যাক,
ভালোবাসার আর্তনাদ থেকে।
সোনালু
সোনালুর অপেক্ষায় আমি মেঘ। ফুটলেই বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়বো বুকে। তারপর চিত্রগ্রাহকের ক্যামেরার সাটারে অনবদ্য ছবি হয়ে থাকবো আমরা। পত্রিকা আর ফেসবুকে ভাইরাল হবে আমাদের মহামিলন।
সোনালু, তুমি কবে আসবে পৃথিবীতে?
সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ্
জন্ম ২৪ জুন ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে।
রংপুরে জন্ম এবং রংপুরের আলো বাতাসে বেড়ে ওঠা।
সম্পাদনা করছেন "তারুণ্যের পদাবলি"।
মেইলঃ khalid.rdc.17@gmail.com
রংপুরে জন্ম এবং রংপুরের আলো বাতাসে বেড়ে ওঠা।
সম্পাদনা করছেন "তারুণ্যের পদাবলি"।
মেইলঃ khalid.rdc.17@gmail.com
0 Comments